এর আগে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী কর্মসূচিটির মেয়াদ ৩০ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ মালয়েশিয়া জানিয়েছে, ১ মে ২০২৬ থেকে ৩১ মে ২০২৭ পর্যন্ত নতুন সময়সীমা কার্যকর থাকবে।
দেশটির সংবাদমাধ্যম কসমো অনলাইন এবং ইমিগ্রেশন বিভাগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, কর্মসূচিটির কার্যকারিতা মূল্যায়নের ভিত্তিতেই এই মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯ মে ২০২৫ থেকে ২৯ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত পিআরএম ২.০ কর্মসূচির আওতায় বিশ্বের ১১২টি দেশের মোট ২ লাখ ৫৪ হাজার ১৮৬ জন অবৈধ অভিবাসী নিবন্ধন করেছেন। এ সময় কম্পাউন্ড বাবদ আদায় হয়েছে প্রায় ১২৭ মিলিয়ন রিঙ্গিত।
এই কর্মসূচির আওতায় অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশকারী অথবা ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য ৫০০ রিঙ্গিত কম্পাউন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ভিসার শর্ত লঙ্ঘনকারীদের জন্য ৩০০ রিঙ্গিত জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। দেশে ফেরার অস্থায়ী ভ্রমণ দলিল হিসেবে বিশেষ পাস ইস্যুর জন্য প্রতিবার ২০ রিঙ্গিত ফি দিতে হবে।
একই সঙ্গে ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, সারা দেশে সমন্বিত অভিযান, নজরদারি ও অভিযানপূর্ব সমীক্ষার মাধ্যমে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু অবৈধ অভিবাসী নয়, তাদের নিয়োগকর্তা ও আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার জাকারিয়া শাবান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে অবৈধ অভিবাসীদের দ্রুত আইনানুগ উপায়ে নিজেদের অবস্থান বৈধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। কঠোর আইন প্রয়োগের আগে বৈধ প্রক্রিয়ায় সমস্যার সমাধান করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তা ও আইনের শাসনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মালয়েশিয়ার অভিবাসন ব্যবস্থাপনা আরও কঠোর, সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছভাবে পরিচালনায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

