প্রকাশের তারিখ: ২০ নভেম্বর ২০২৫
ঢাকা:
সুপ্রিম কোর্ট আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংশোধনী সংক্রান্ত মামলার রায়ে দেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল করেছে। আপিল বিভাগের এই রায়ে বলা হয়েছে, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার-সম্পর্কিত বিধানাবলি পুনরুজ্জীবিত ও ভবিষ্যৎ প্রয়োগযোগ্যতার ভিত্তিতে কার্যকর হবে।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের পক্ষে শুনানি করা জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, জুলাই সনদ চারটি বিকল্প নিয়ে গণভোটে পাঠানো হচ্ছে। গণভোট পাস হলে এবং নতুন সংসদের সংবিধান সংস্কার সভায় এটি গৃহীত হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আসতে পারে।
রায়ের প্রভাব ও কার্যক্রম:
-
চতুর্দশ সংসদ নির্বাচনের সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার কার্যকর হবে।
-
সংসদ ভেঙে যাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের বিধান এই রায়ে পুনরায় সক্রিয় হবে। বর্তমানে সংসদ না থাকায় এটি আপাতত কার্যকর নয়।
-
রায়ে অতীতের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায়কে কলঙ্কিত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
জামায়াতের প্রতিক্রিয়া:
শিশির মনির বলেন, ৪১ বছর আগে জামায়াত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম প্রস্তাব দিয়েছিল। এর পর দীর্ঘ সময়ে নির্বাচন ব্যবস্থায় নানা অসঙ্গতি, গুম–খুন ও নির্বাচনী অব্যবস্থার ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান রায়ে দেখা যাচ্ছে, দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পুনরায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে।
আইনজীবীর মন্তব্য:
শিশির মনির আরও উল্লেখ করেন, জুলাই সনদ গণভোটে পাস হলে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ এটিকে গ্রহণ করলে সরকার কাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে গণভোট ও সংবিধান পরিষদের কার্যক্রমের উপর।

