প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০২৫
বিশ্ববাজার ডেস্ক
ইউক্রেন–রাশিয়ার মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমার প্রবণতা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি হলে রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা শিথিল হতে পারে, যা বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
দামের ওঠানামা
বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৩ সেন্ট কমে ৬২.৮ ডলার, আর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ৩২ সেন্ট কমে ৫৮.৩৩ ডলার হয়েছে। মার্কিন থ্যাংকসগিভিং ছুটির কারণে লেনদেন তুলনামূলক ধীর ছিল।
বুধবার তেলের দাম ১ শতাংশ বেড়েছিল। তবে বাজারে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। একদিকে যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলছে, অন্যদিকে অতিরিক্ত সরবরাহের শঙ্কা বজায় আছে।
কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট
মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ আগামী সপ্তাহে রাশিয়া সফর করবেন সম্ভাব্য শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে। তবে রাশিয়ার শীর্ষ কূটনীতিকরা জানিয়েছেন, মস্কো কোনো বড় ছাড় দেওয়ার প্রস্তুতি নেই।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতি হলে তেলের ওয়ার প্রিমিয়াম কমে যাবে। এর ফলে রাশিয়ার তেল সহজে বাজারে আসতে পারে, যা ইতিমধ্যেই সরবরাহ বহুল বাজারে চাপ সৃষ্টি করবে এবং মধ্যমেয়াদে তেলের দাম আরও নেমে যেতে পারে।
অর্থনৈতিক প্রভাব
ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমাতে পারে। সুদের হার কমলে অর্থনীতি চাঙ্গা হবে এবং তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।
বিশ্ববাজারে এই দুইটি প্রবণতা—যুদ্ধবিরতি ও সুদের হারে পরিবর্তন—মিশ্র প্রভাব ফেলবে এবং তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রভাবিত করবে।

